অমর মিত্র

বাঙালি লেখক

অমর মিত্র (জন্ম:৩০ আগস্ট, ১৯৫১) একজন ভারতীয় বাঙালি লেখক। বিজ্ঞানের ছাত্র ছিলেন। কর্মজীবন কাটে পশ্চিমবঙ্গ রাজ্য সরকারের এক দপ্তরে। তিনি ২০০৬ সালে ধ্রুবপুত্র উপন্যাসের জন্য সাহিত্য অকাদেমি পুরস্কার পেয়েছেন। অশ্বচরিত উপন্যাসের জন্য ২০০১ সালে বঙ্কিম পুরস্কার, পশ্চিমবঙ্গ সরকারের উচ্চ শিক্ষা দপ্তর থেকে। এ ব্যতীত ২০০৪ সালে শরৎ পুরস্কার ( ভাগলপুর ), ১৯৯৮ সালে সর্ব ভারতীয় কথা পুরস্কার স্বদেশযাত্রা গল্পের জন্য। ২০১০ সালে গজেন্দ্রকুমার মিত্র পুরস্কার পান। ২০১৭ সালে সমস্ত জীবনের সাহিত্য রচনার জন্য যুগশঙ্খ পুরস্কার, ২০১৮ সালে কলকাতার শরৎ সমিতি প্রদত্ত রৌপ্য পদক এবং গতি পত্রিকার সম্মাননা পেয়েছেন। খ্যাতনামা অভিনেতা ও নাট্যকার মনোজ মিত্র তার অগ্রজ

  • আমার সাহিত্যে কীভাবে কী এসেছে তা বলবেন পাঠক। সমালোচক। আমি মনে করি, আঁকাড়া বাস্তবতা এক জায়গায় গিয়ে থেমে যায়। কল্পনা এবং বাস্তবতা দুইয়ের ভেতরে আমি চলাফেরা করতে ভালোবাসি। মানুষের অন্তর্গত রহস্য উদ্ধার করতে চেয়েছি যেমন, তেমনি চেয়েছি শিকড়ে পৌঁছতে।
  • সাহিত্যের সব মত ও পথ মুক্ত থাকাই ভালো। এক একজন লেখক এক এক রকম ভাবেন। আমি অত তত্ত্ব কথা ভেবে তো লিখিনি। কিন্তু জীবন দেখেছি। জীবনকে ভালোবেসেছি। ভালোবেসে অশ্রুপাত করেছি। আবার উদ্দীপ্ত হয়েছি। লেখায় তার ছায়া পড়েছে।
  • জীবনের সঙ্গে জীবনের যোগই সাহিত্য। আমি শিল্পের জন্য সাহিত্য, এ মতবাদের বিরোধী।
  • যদি বিমুখই হয়, এত বই কারা পড়ে। চিরকাল নতুন প্রজন্ম নিয়ে আগের প্রজন্ম-র সমস্যা হয়। এ কথা সেই সমস্যার একটি উদাহরণ। এখন পড়ার ধরন বদলে গেছে। সাহিত্যের পাঠক সাহিত্য পড়ে। আমাদের সময়েও সবাই সাহিত্য পড়ত না। কেউ কেউ পড়ত। এখনো তাই।
    • যুগান্তর পত্রিকায় ২৯ ডিসেম্বর ২০২৩ সালে প্রকাশিত সাইফুর রহমান কর্তৃক গৃহীত। সাহিত্যিক অমর মিত্রের সাক্ষাতকার থেকে সংগৃহীত। বর্তমান প্রজন্ম সাহিত্য বিমুখ এই প্রশ্নের উত্তরে লেখকের নিজস্ব মতামত। জীবনের সঙ্গে জীবনের যোগই সাহিত্য: অমর মিত্র

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা