অরবিন্দ গুহ

বাঙালি সাহিত্যিক

অরবিন্দ গুহ (২০ ডিসেম্বর ১৯২৮ — ৩ জুন ২০১৮) ছিলেন বাংলার ঊনিশ শতকের পঞ্চাশের দশকের বিশিষ্ট কবি, লেখক ও প্রাবন্ধিক। ইন্দ্রমিত্র ছদ্মনামে জীবনী, গবেষণামূলক ও হাস্যরসাত্মক রচনাকার হিসাবে বেশি পরিচিত ছিলেন। সাহিত্যকর্মের জন্য ইনিই একমাত্র কবি যিনি পশ্চিমবঙ্গ সরকারের রবীন্দ্র পুরস্কার পেয়েছেন দু’বার - ১৯৭১ খ্রিস্টাব্দে ইন্দ্রমিত্র ছদ্মনামে এবং ২০০৭ খ্রিস্টাব্দে তার আসল নামে।

  • অতীশ দীপঙ্কর যে-কালের মানুষ সেকালের ভারতবর্ষে তাঁর মতো চরিত্র, পাণ্ডিত্য, মনীষা ও অধ্যাত্মগরিমা আর কারও ছিল না । ভারতবর্ষ ও তিব্বতের মধ্যে মিলনসেতু রচনায় অতীশ দীপঙ্করের কৃতিত্ব সকলের চেয়ে বেশি। ভারতবর্ষে, নেপালে ও তিব্বতে বিস্তর বৌদ্ধ সঙ্ঘারাম ও মন্দির প্রতিষ্ঠার সঙ্গে অতীশ দীপঙ্করের নাম অচ্ছেদ্যভাবে জড়িত। তাঁর প্রেরণায় পৃথিবীতে বৌদ্ধদের সংখ্যা ক্রমশ বেড়েছে। তিব্বতীরা যখন বৌদ্ধধর্মের গূঢ় অর্থের ভুল ব্যাখ্যা আরম্ভ করেছে তখন অতীশ দীপঙ্কর তাদের নির্ভুল পথ দেখিয়েছেন।
  • অতীশ দীপঙ্করের আগেও কয়েকজন বৌদ্ধ পণ্ডিত ভারতবর্ষ থেকে তিব্বতে গিয়েছেন কিন্তু কেউই তাঁর মতো খ্যাতি ও সম্মান পাননি । সোগে তিব্বতের সকল শ্রেণীর মানুষের উপরেই অতীশ দীপঙ্করের উপদেশের প্রভাব পড়েছে। তিনি বহু গ্রন্থ রচনা ও অনুবাদ করেছেন। তিব্বতের সাহিত্যকে বিপুলভাবে সমৃদ্ধ করেছেন । তিব্বতের সংস্কৃতিতে অতীশ দীপঙ্কর আমূল পরিবর্তন এনে দিয়েছেন । তিব্বতের মানুষের কাছে তিনি ন্যায্য কারণেই মহাপ্রভু হিসেবে সম্মান পেয়েছেন।
  • মহাপ্রসাদ পাওয়ার জন্য জাতপাতের প্রশ্ন অবান্তর।
  • কেঁদুলিকে বাদ দিয়ে জয়দেবের কথা বলা যায়না, আবার জয়দেবের কথা বাদ দিলেও কেঁদুলি নিঃস্ব হয়ে যায়।
  • লক্ষণসেনের রাজসভা অলংকৃত করছেন পাঁচজন বিখ্যাত কবি- ধোয়ী, উমাপতিধর, গোবর্ধন শরণ, জয়দেব। এই পাঁচজন কবির মধ্যে জয়দেব নিঃসন্দেহে সর্বশ্রেষ্ঠ।
  • কেউ বলে জয়দেবের মেলা, কেউ বলে কেঁদুলির মেলা।
  • জয়দেব আর কেঁদুলির নাম অচ্ছেদ্যসূত্রে গাঁথা হয়ে আছে। এই কেঁদুলি আর অনেকের কাছে শুধু কেঁদুলি নেই হয়ে উঠেছে জয়দেব কেঁদুলি
  • যা গেছে তার চিন্তায় কোণ ফল নাই।
  • যুগের পর যুগ কেটে গেছে, এখনও গোবিন্দ ঘোষের মৃত্যুতিথিতে গোপীনাথ পিতার উদ্দেশ্যে পিন্ড দিয়ে যাচ্ছেন।

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা