পাখির বাসা হল সেই জায়গা যেখানে একটি পাখি তার ডিম পাড়ে এবং তার বাচ্চাদের বড় করে। বাসা বিভিন্ন রকম হতে পারে যেমন আমেরিকান রবিন বা ইউরেশিয়ান ব্ল্যাকবার্ডের ঘাসনির্মিত কাপ নেস্ট বা মন্টেজুমা অরোপেনডোলা বা ভিলেজ উইভারের বিস্তৃতভাবে বোনা ঝুলন্ত বাসা ইত্যাদি।

(পুরুষ) বাবুই পাখি বাসা তৈরি করছে
  • মানুষ যেমন নানারকম জিনিস দিয়ে নানা কায়দায় নিজেদের বাড়ি বানায়-কেউ ইট, কেউ পাথর, কেউ বাঁশ-কাদা, কেউ মাটি; কারো এক-চালা, কারো দো-চালা-পাখিরাও সেরকম নানা জিনিস দিয়ে নানান কায়দায় নিজেদের বাসা বানায়। কেউ বানায় কাদা দিয়ে, কেউ বানায় ডাল-পালা দিয়ে, কেউ বানায় পালক দিয়ে, কেউ বানায় ঘাস দিয়ে।
    • পাখির বাসা। সুকুমার সাহিত্যসমগ্র (দ্বিতীয় খণ্ড)। সম্পাদক, সত্যজিৎ রায় ও পার্থ বসু। আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড। পৃষ্ঠা ১২৭। আইএসবিএন ৮১৭০৬৬১৭৩০
  • কোন কোন পাখি থুতু দিয়ে বাসা তৈরি করে। তালচোঁচ পাখি এই জাতের। পালক, ঘাস এসব জিনিস থুতু দিয়ে জোড়া লাগিয়ে তার বাসা তৈরি হয়। ইস্ট ইন্ডিয়া দ্বীপপুঞ্জে এক জাতের তালচোঁচ আছে, তারা কেবলই থুতু দিয়ে নিজেদের বাসা বানায়
    • পাখির বাসা। সুকুমার সাহিত্যসমগ্র (দ্বিতীয় খণ্ড)। সম্পাদক, সত্যজিৎ রায় ও পার্থ বসু। আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড। পৃষ্ঠা ১২৭। আইএসবিএন ৮১৭০৬৬১৭৩০
  • অনেক জাতের পাখি কাদা দিয়েও তাদের বাসা বানায়। আফ্রিকার ফ্লামিঙ্গোর বাসা কাদার তৈরি। একটা ঢিপির মতো কাদা সাজিয়ে তার মাঝে একটা গর্ত করে ফ্রামিঙ্গো ডিম পাড়ে। আরো অনেক জাতের পাখিও কাদার বাসা বানায়; তাদের অধিকাংশই আফ্রিকার।
    • পাখির বাসা। সুকুমার সাহিত্যসমগ্র (দ্বিতীয় খণ্ড)। সম্পাদক, সত্যজিৎ রায় ও পার্থ বসু। আনন্দ পাবলিশার্স লিমিটেড। পৃষ্ঠা ১২৮। আইএসবিএন ৮১৭০৬৬১৭৩০

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা