স্বাধীনতা

নিয়ে নিজের মতামত ও অনুভব

স্বাধীনতা হলো অন্যের উপর নির্ভরতা বা নিয়ন্ত্রণ থেকে অব্যাহতি। স্বাধীনতা হলো ব্যক্তি, জাতি, দেশ বা রাষ্ট্রের একটি শর্ত যেখানে জনগণ বা এর কিছু অংশে থাকবে নিজস্ব শাসনব্যবস্থা এবং সার্বভৌমত্ব বজায় থকবে। স্বাধীনতা মানে যা খুশি তা করা নয়। স্বাধীনতার বিপরীত হচ্ছে পরাধীনতা। একটি দেশের বা জাতির স্বাধীনতা লাভের অনেক উদ্দেশ্য থাকে। স্বাধীনতা লাভ নানা পথ ধরে হতে পারে। কখনো শান্তিপূর্ণ প্রতিবাদের মাধ্যমে অথবা সহিংসতার পথে।

১৮১৮ সালের ১৮ ফেব্রুয়ারি চিলির স্বাধীনতা ঘোষণা
  • জীবন, জীবন, জীবন, আমি জীবন চাই। আর জীবনের একমাত্র প্রতিশব্দ হল স্বাধীনতা। তা না থাকলে মৃত্যুও শ্রেয়।
    • ভগিনী নিবেদিতা, ভারতের নিবেদিতা, রামকৃষ্ণ মিশন ইনস্টিটিউট অফ কালচার (১৯৯৮); গোলপার্ক, কলকাতা; পৃষ্ঠা-৬২
  • আধ্যাত্মিক-স্বাধীনতা বা মুক্তিই আদর্শ এবং তাহা লাভই আমাদের জীবনের লক্ষ্য হওয়া উচিত। উহা লাভ করিবার জন্য আমাদের প্রাণপণে চেষ্টা করা কর্তব্য, কারণ সর্বপ্রকার স্বাধীনতার মধ্যে উহাই শ্রেষ্ঠ ও সর্বোচ্চ।
    • কলিকাতায় ছাত্রগণের উদ্দেশে স্বামী অভেদানন্দের বক্তৃতা, আমার জীবনকথা - স্বামী অভেদানন্দ, দ্বিতীয় ভাগ, প্রকাশক- শ্রীরামকৃষ্ণ বেদান্ত মঠ, কলিকাতা, দ্বিতীয় সংস্করণ, প্রকাশকাল- সেপ্টেম্বর ১৯৯৮, পৃষ্ঠা ৩৪০
  • স্বাধীনতা হীনতায় কে বাঁচিতে চায় হে,
    কে বাঁচিতে চায়?
    দাসত্ব-শৃঙ্খল বল কে পরিবে পায় হে,
    কে পরিবে পায়?
    কোটিকল্প দাস থাকা নরকের প্রায় হে,
    নরকের প্রায়।
    দিনেকের স্বাধীনতা, স্বর্গ-সুখ তায় হে,
    স্বর্গসুখ তায়।৷
    • রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, পদ্মিনী উপাখ্যান- রঙ্গলাল বন্দ্যোপাধ্যায়, শ্রীপূর্ণচন্দ্র মুখোপাধ্যায় দ্বারা মুদ্রিত ও প্রকাশিত, কলিকাতা, প্রকাশসাল- ১৯০৫ খ্রিস্টাব্দ (১৩১২ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৭৪
  • এবারের সংগ্রাম মুক্তির সংগ্রাম, এবারের সংগ্রাম স্বাধীনতার সংগ্রাম। জয় বাংলা!

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা