ভয়

অনুভূত বিপদ বা হুমকি কারণে প্ররোচিত আবেগ

ভয় হলো বিপদের আশঙ্কা অথবা বেদনার অনুভূতির আগাম চিন্তা করে মানসিক যে অপ্রীতিকর আবেগের সৃষ্টি হয় তার প্রতিক্রিয়া। ভয়ের কারণে মানুষ যেকোনও উদ্যোগে দ্বিধাগ্রস্ত হয়। ভয় একটি স্বাভাবিক ও মনস্তাত্বিক প্রক্রিয়া। জীবনে বিভিন্ন সময় বিভিন্ন কারণে মানুষ ভয় পেতে পারে। ভয়কে প্রশ্রয় না দিয়ে তাকে মোকাবিলা করাই বুদ্ধিমানের কাজ বলে অনেকে মনে করেন।

ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়ো না, তোমায় আমি মারব না—
  • ভয় পেয়ো না, ভয় পেয়ো না, তোমায় আমি মারব না—
    সত্যি বলছি কুস্তি ক’রে তোমার সঙ্গে পারব না।
    মনটা আমার বড্ড নরম, হাড়ে আমার রাগটি নেই,
    তোমায় আমি চিবিয়ে খাব এমন আমার সাধ্যি নেই!
    • ভয় পেয়ো না- সুকুমার রায়, আবোল তা্বোল, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬১
  • নক্ষত্র বলিতেছিলেন, “ঠাকুর, তোমার মনে মনে ভয় হচ্ছে। তুমি মনে করছ আমিও ভয় করছি। কিছু ভয় নেই ঠাকুর! ভয় কিসের? ভয় কাকে? আমি তোমাকে রক্ষা করব। তুমি কি মনে কর আমি রাজাকে ভয় করি? আমি শাসুজাকে ভয় করি নে, আমি শাজাহানকে ভয় করি নে।
    • রাজর্ষি- রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর, প্রকাশক- বিশ্বভারতী গ্রন্থন বিভাগ, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬১ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৮ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৬৪
  • আগুনকে যে ভয় করে সে আগুনকে ব্যবহার করতে পারে না।
  • রাত নির্জন, পথে কত ভয়, তবুও রানার ছোটে,
    দস্যুর ভয়, তারো চেয়ে ভয় কখন সূর্য ওঠে।
  • পৃথিবীতে কত রাজা, তাদের কত জনের কত ভয়। প্রজার ভয়, শত্রুর ভয়, যুদ্ধের ভয়, বিদ্রোহের ভয়—ভয়ে কেউ আর নিশ্চিন্ত নেই। এরকম হাজার দেশ ছেড়ে ছেড়ে অফেরো এক রাজ্যে এল, সেখানে রাজার ভয়ে সবাই খাড়া! চোরে চুরি করতে সাহস পায় না, কেউ অন্যায় করলে ভয়ে কাঁপে।
    • খৃস্টবাহন- সুকুমার রায়, সুকুমার সমগ্র রচনাবলী- প্রথম খণ্ড, সম্পাদনা- পুণ্যলতা চক্রবর্তী, কল্যাণী কার্লেকর, কলকাতা, প্রকাশসাল- ১৯৬০ খ্রিস্টাব্দ (১৩৬৭ বঙ্গাব্দ), পৃষ্ঠা ৯৬

আরও দেখুন

সম্পাদনা

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা