মসজিদ
ইসলাম ধর্মাবলম্বীদের উপাসনার স্থান
মসজিদ হলো মুসলমানদের দলবদ্ধভাবে নামাজ পড়ার জন্য নির্মিত একটি ধর্মীয় স্থাপনা। সাধারণভাবে, যে সকল ইমারত বা স্থাপনায় মুসলমানেরা একত্র হয়ে প্রাত্যহিক পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ আদায় করেন, তাকে মসজিদ বলে। মসজিদে সাধারণত একজন ইমাম বা নেতা থাকেন যিনি নামাজের ইমামতি করেন বা নেতৃত্ব দেন। মসজিদ হলো মুসলমানদের বিভিন্ন ধর্মীয় কার্যাবলীর প্রাণকেন্দ্র।
উক্তি
সম্পাদনা- মুশরিকদের আল্লাহর মসজিদগুলো আবাদ করার কোন অধিকার নেই, যদিও তারা নিজেদের বিরুদ্ধে কুফরীর সাক্ষ্য দিচ্ছে। এরাই তারা যাদের কর্মফল বৃথা; এবং তারা জাহান্নামে স্থায়ী হবে। আল্লাহর মসজিদগুলো আবাদ করতে পারবে কেবল সেই ব্যক্তি যে আল্লাহ ও শেষ দিবসের উপর ঈমান আনে, সালাত কায়েম করে, যাকাত দেয় এবং আল্লাহ ছাড়া আর কাউকে ভয় করে না। সুতরাং এরাই হিদায়াতপ্রাপ্ত হতে পারে। তোমরা কি হাজীদের পানি পান করানো এবং মসজিদুল হারামের আবাদ করাকে সেই ব্যক্তির সমান মনে করো যে আল্লাহ ও শেষ দিবসের উপর ঈমান আনে এবং আল্লাহর পথে জিহাদ করে? আল্লাহর কাছে তারা সমান নয়। আর আল্লাহ জালেমদেরকে পথ দেখান না। যারা ঈমান এনেছে, হিজরত করেছে এবং তাদের ধন-সম্পদ ও জীবন দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করেছে, তারা আল্লাহর কাছে মর্যাদায় অনেক উচ্চতর। আর এরাই সফলকাম।
- কুরআন ৯:১৭-২০
- আল্লাহর নিকট সবচেয়ে উত্তম স্থান হলো মসজিদ এবং সবচেয়ে নিকৃষ্টতর স্থান হলো বাজার।
- আল হাদীস
- মসজিদেরই পাশে আমার কবর দিও ভাই,
যেন গোরে থেকেও মোয়াজ্জিনের আজান শুনতে পাই॥- কাজী নজরুল ইসলাম
- মসজিদ ও মন্দির ভাঙার সময় একটি সত্য দীপ্ত হয়ে উঠে যে আল্লা ও ভগবান কতটা নিষ্ক্রিয়, কতাে অনুপস্থিত।
- হুমায়ুন আজাদ
- মসজিদ তােলা আর ভাঙার নাম রাজনীতি, মন্দির ভাঙা আর তােলার নাম রাজনীতি। কিন্তু ওরা তাকে চালায় ধর্মের নামে।
- হুমায়ুন আজাদ
- মসজিদ ভাঙলে আল্লার কিছু যায় আসে না, মন্দির ভাঙলে ভগবানের কিছু যায় আসে না; যায় আসে শুধু ধর্মান্ধদের। ওরাই মসজিদ ভাঙে, মন্দির ভাঙে।
- হুমায়ুন আজাদ
বহিঃসংযোগ
সম্পাদনাউইকিপিডিয়ায় মসজিদ সম্পর্কিত একটি নিবন্ধ রয়েছে।
উইকিঅভিধানে মসজিদ শব্দটি খুঁজুন।
উইকিমিডিয়া কমন্সে মসজিদ সংক্রান্ত মিডিয়া রয়েছে।