অ্যালান ম্যাথিসন টুরিং (২৩শে জুন, ১৯১২—৭ই জুন, ১৯৫৪) একজন অগ্রণী ইংরেজ কম্পিউটার প্রকৌশলী, গণিতজ্ঞ, যুক্তিবিদ, দার্শনিক, গোপন সংকেত বিশেষজ্ঞ, গাণিতিক জীববিজ্ঞানী এবং ম্যারাথন দৌড়বিদ ছিলেন। কম্পিউটার প্রকৌশলের বিকাশে তিনি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অবদান রেখেছেন। তিনি তার টুরিং মেশিনের (Turing machine) মাধ্যমে গণনা (computation) ও অ্যালগোরিদম (algorithm) এর ধারণার প্রচলন করেন। টুরিংকে তাত্ত্বিক কম্পিউটার প্রকৌশল ও কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তার জনক হিসেবে বিবেচনা করা হয়।

ষোল বছর বয়সে অ্যালান টুরিং

কম্পিউটার বিজ্ঞানের সবচেয়ে মৌলিক দুটি ধারণার সাথে তার নাম জড়িত: টুরিং টেস্ট এবং টুরিং মেশিন। প্রথমটি জড়িত বিতর্কিত কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা ধারণার সাথে, দ্বিতীয়টি হচ্ছে কম্পিউটারের বিমূর্ত গাণিতিক গঠন। কম্পিউটার বিজ্ঞান ও প্রকৌশলের প্রধান সম্মামনা তার নামে, টুরিং পুরস্কারকে প্রায়ই কম্পিউটার বিজ্ঞানের নোবেল পুরস্কার নামে অভিহিত করা হয়।

  • একটি কম্পিউটার তখন বুদ্ধিমান বলার যোগ্য হবে যদি এটি একজন মানুষকে বিশ্বাস করাতে পারে যে এটি মানুষ।
  • যারা সবকিছু কল্পনা করতে পারে, তারা অসম্ভবকে সম্ভব করতে পারে।
  • “মূল প্রশ্ন, 'যন্ত্র কি চিন্তা করতে পারে?' আমি বিশ্বাস করি যে আলোচনার যোগ্য হওয়ার জন্য খুব অর্থহীন প্রশ্ন।
  • কখনও কখনও এমন মানুষ যারা কেউ কল্পনাও করে না কিছু করতে পারবে, এমন কিছু করে যা কেউ কল্পনাও করতে পারে না।
  • “মানুষ কেন সহিংসতা পছন্দ করে জানেন? ভালো লাগে বলেই। মানুষ সহিংসতাকে অনেক বেশি সন্তোষজনক মনে করে। কিন্তু সন্তুষ্টি সরিয়ে ফেলুন, এবং কাজটি ফাঁপা হয়ে যাবে।
  • আমরা কেবলমাত্র স্বল্প দূরত্ব দেখতে পাই, তবে আমরা সেখানে যা করা দরকার অনেক ব্যাপক পরিসরে দেখতে পাই।
  • যদি একটি যন্ত্র ভুলের উরথে হতে পারে বলে আশা করা হয়, তবে এটি বুদ্ধিমান হতে পারে না।
  • প্রতিটি অনুমানযোগ্য পরিস্থিতিতে একজন ব্যক্তির কী করা উচিত তা বর্ণনা করার জন্য নির্দিষ্ট নিয়ম তৈরি করা সম্ভব নয়।
  • একদিন মহিলারা পার্কে হাঁটার জন্য তাদের কম্পিউটার নিয়ে যাবে এবং একে অপরকে বলবে, আমার ছোট্ট কম্পিউটারটি আজ সকালে একটি মজার কথা বলেছে।

বহিঃসংযোগ

সম্পাদনা